আমরা বেশির ভাগ মানুষই ‘ওভারনাইট সাকসেস’ বা রাতারাতি সফল হওয়ার নেশায় মগ্ন থাকি।
জিম শুরু করে সাত দিনেই পরিবর্তন খুঁজি, কিংবা কোনো নতুন স্কিল শিখতে বসে দুই সপ্তাহেই বিশেষজ্ঞ হতে চাই।
আর যখন প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল পাই না, তখনই আমরা হাল ছেড়ে দিই।
অথচ আমরা অনেকেই জানি না “The Rule of 100” এর কথা।
এর গাণিতিক হিসেবটা খুবই সহজ;
আপনি যদি বছরের প্রতি দিন মাত্র ১৮ মিনিট কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের পেছনে ব্যয় করেন, তবে বছর শেষে সেই বিষয়ের ওপর আপনার মোট ১০০ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়ে যায়।
গবেষণা বলছে, যেকোনো নির্দিষ্ট কাজে ১০০ ঘণ্টা সময় দেওয়ার অর্থ হলো, আপনি সেই বিষয়ে বিশ্বের ৯৫% মানুষের চেয়ে বেশি দক্ষ হয়ে ওঠা।
অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্য, কারণ পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ কেবল সফল হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়েই বসে থাকে, কিন্তু বাস্তবে এক ঘণ্টাও মোটিভেশনের সাথে কাজ করে না।
আসলে সফলতার মূল রহস্য অনেক বেশি পরিশ্রম বা ইন্টেনসিটির মধ্যে নয়, বরং এর আসল ম্যাজিক লুকিয়ে আছে ‘কনসিস্টেন্সি’ বা ধারাবাহিকতার মধ্যে।
প্রতিদিনের এই ছোট ছোট ১৮ মিনিটের অভ্যাস ‘কম্পাউন্ড ইফেক্ট’-এর মতো কাজ করে।
হতে পারে কোডিং শেখা, পাবলিক স্পিকিং প্র্যাকটিস করা অথবা অন্য কোনো স্কিল।
আমাদের এই ব্যস্ত জীবনে নিজের জন্য ১৮ মিনিট সময় বের করা মোটেও অসম্ভব কিছু নয়।
প্রশ্ন হলো, নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য এই সামান্য ১৮ মিনিট দেওয়ার মানসিক শক্তি আপনার আছে তো?