রামিসা (ছদ্দনাম) সারাদিন সবার সাথে হাসি-ঠাট্টা করে, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়, অফিসে কাজ করে, ফেসবুকে হাসিখুশি ছবি আপলোড করে।
সবাই ভাবে, “বাহ! ও তো বেশ ভালোই আছে।”
কিন্তু রাত নামলেই যেন ভেতরের গল্পটা পাল্টে যায়।
রাতে একা বিছানায় শুয়ে, দিনের শেষে ক্লান্ত দৃষ্টিতে আয়নায় তাকিয়ে ধীরে ধীরে ফিসফিস করে -
“সবাই পারে, আমি পারি না.. আমার ভেতরেই সমস্যা”, “আমি কেন এমন? কেন এত ভুল করি?”, “সবাই এগিয়ে যাচ্ছে, শুধু আমি আটকে আছি”, “হয়তো আমি কারো জন্যই বোঝা ছাড়া আর কিছু না।”
ধীরে ধীরে সে আয়নায় তাকাতেও ভয় পায়।
মুখটা তো একই আছে, কিন্তু চোখের ভেতর জমে আছে অগণিত প্রশ্ন আর লুকানো কান্না। আমি এমন কেন? নিজের ওপরই রাগ লাগে.. হয়তো এই কথাটা আপনিও নিজের কাছে অনেকবার বলেছেন।
রাতে একা বসে, দিনের শেষে আয়নায় তাকিয়ে, মনে হয়েছে- “সবাই পারে, আমি পারি না.. আমার ভেতরেই সমস্যা।”
এভাবে নিজের ওপর রাগ, লজ্জা, ঘৃণা জমতে জমতে রামিসা-রা বুঝতেই পারে না, তারা আসলে নিজেকেই আঘাত করছে। এই আঘাত চোখে দেখা যায় না, রক্ত ঝরে না, কিন্তু আস্তে আস্তে ভিতরটা ক্ষয়ে ক্ষয়ে যেতে থাকে।
Emotional self-harm বা নিজের ওপর মানসিক আঘাত, যার সাথে জড়িয়ে থাকে self-stigma, মানে, নিজের ভুলগুলোকে এত বড় করে দেখা যে নিজেকেই ঘৃণা করতে শুরু করেন।
আমাদের অনেকেই মনে করি, “এটা শুধু আমার সাথেই হচ্ছে”।
গবেষণা বলে, হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন নিজের ভেতরের এই অদৃশ্য যুদ্ধ লড়ছে। কেউ চুপচাপ সহ্য করে যাচ্ছে, অনেকেই আবার রাস্তা খুঁজছে কিন্তু হয়ত পাচ্ছে না- কীভাবে এর থেকে বের হওয়া যায়?
নিজেকে ঘৃণা না করে গ্রহণ করলে শুরু হবে অন্ধকারে আলো খোঁজার যাত্রা। তাহলে চলুন, একসাথে খুঁজে বের করি, কীভাবে “আমি কেন এমন?” প্রশ্নটার বদলে বলা যায়, “আমি যেমন আছি, আমি তেমনই মূ